Poetry

কন্ঠস্বাদ

Excerpt

This is a poem that reflects on the incorporeal nature of voice and how it shatters the symbolic realm that we as humans exist within. The existential ennui that we constantly feel just to become a speaking being totally devoid of voice and how voice always returns in a much more distorted form as a consequence.

Genre / Keywords Modernism Existentialism Surrealism
Sajid Ahmed —
কন্ঠস্বাদ

হায় কি শুরু হয়

আওয়াজে কি বাদ ভাঙায়

ভঙ্গুর কহিলো চলিতে আজ

কিম্বা কথায় কি জাদু?

 

এই কিছু অক্ষরের কংকাল

নিয়ে হাঁড়ের ভেতর,

নামে কান্নার রোল—

জন্মায় এবার মায়ের কোলে শরীরের স্বাদ বুঝিয়া।

চাওয়ার তাড়নায় অর্থ পায়,

আওয়াজের তাড়ণায় শব্দ পায়

চোখের চাহনিতে ইশারা পায়,

জিহ্বার আরশে স্বাদ পায়

স্বাদের লাফে কন্ঠ কামায়।

 

কেবল ঘুরপাক খায় ছাড়পোকা

মাথার ভিতরে,

শব্দের মতো ঘোরে

কন্ঠের মতো কথা কয়

চিৎকারের মতো আওয়াজ করে

সংগীতের মতো হাসে

কান্নার মতো নি:শ্বাস নেয়।

তবুও সবই স্বাদ,সবই কম্পন

সবই বিজ্ঞান।

মানুষ করে রেখেছো পাখনা দিয়ে,

বুকের ভেতরে নৈশ্বব্দের মিলনমেলা

ঘটিয়েছো অর্থহীন অর্থহীনের সাথে–

একটা উচ্চারণ

অনকেটা ভাষাত্বত্তের গোঙ্গানি

একটা যুক্তিহীন ঠোঁটস্পর্শ

তাতেই আওয়াজের আগ্নেয়গিরি বন্ধ...

মুখ বন্ধ!

তারপর ঘোরের এক ফাঁলি চাঁদ ঘোর

কেঁটে দিলে

দেখবে ঘোরের মাঝেই সব,সদা সত্য,

অর্ধ কথ্য,অর্ধ সত্য–

অসম্ভবের চোয়ালে লেগে থাকা বাক্য।

কেবল হাতের স্পর্শে বাজারে ছন্দ কিনতে পাওয়া যায়?

 

কন্ঠ অবিরাম

উচ্চাকাঙ্খি আওয়াজ

বলা কওয়ার বাইরে গিয়ে ভেতরটাকেই তৈরি করে--

কেবল বাইরের যাওয়ার ফন্দিতে বাইরের কিছু তৈরি হয়না,

অবিরাম কিছু একটা শৃঙ্খলা ভাঙ্গতে চায়

গর্তে খত দিয়ে আরো গর্তের উৎপাদন সম্ভাবণা যেখানে।

এবার কিছু একটা শুনতে পায়—

প্রবল অর্থহীনতার মাঝে অর্থের বারিধারা।

 

সংগীত?

কেউ কাব্যে কহে গলার মালায় স্বর জড়ায়ে,

কেহ গাঁথে অশরীরী স্বরের কম্পনমালা,

কিছু একটা হাওয়ার খেলা

কিছু একটা শব্দভেদী আওয়াজের খেলা।

এই কন্ঠরাজে উড়াল দিয়া চলে হৃদয়পারের ভেলা,

চাওয়া পাওয়ার মায়াকানন খেলা।

হাসি কান্নার মেশানো এই মেলা?

 

স্ফটিক এবার ষ্টিফ হয়ে বসো--

একা এসরাজ সাজো

আর আঙুলে সুরের আগুন জ্বালাও

তবুও কোথায় তুমি আছো?

অজ্ঞান তোমাকে খোঁজে!

যার নাম

যাতে সর্বনাম এসে স্তম্ভিত

তাতে তুমি বিশেষন মেশাও

ছন্দের কবি হয়ে?

কেবল কি অধিকার তোমার?

কয়টা জিনিয়াসি খেলা খেলেছো হারাধন?

মসজিদে বসিয়ে নামাজের ধ্যানে

শিরনীর পুটুলি হাতায়ে এসরাজ কেনো মাখাও?

 

আজ শোনো আমরা বরং স্তিমিত চাঁদের

আলোর মতো সাজি,

রঙের সাথে মিশে আওয়াজের কথা ভুলি।

বস্তুভেদি হয়ে হাওয়ার কঙ্কালে আনন্দ কিংবা আর্টের

ফিলোসোফি নিয়ে উড়ে যাই,

উড়ালে হৃদয় রঙ হারালে

কন্ঠকে বর্তমান বলে ভাবো।

যে কন্ঠ গলায় না,

বা গলেও না কানে

বা ঠোঁট কাঁটে না,

বা রক্তেই হারায়?

সেই স্বাদ

সেই হাওয়ার অদৃশ্যে

রাজ্য বসানো স্বাদ--

এই স্বাদে পাবে কন্ঠ কারা?

 


— End —

About the Author

Sajid Ahmed